HSC ভর্তির পূর্ণাংগ তথ্যঃ কীভাবে অনলাইনে কলেজে ভর্তির আবেদন করতে হবে ?

Abu Kamal Md Nasiruddin

Written by: abu-kamal-md-nasiruddin


About : আবু কামাল মোহাম্মাদ নাছির উদ্দিন বাংলাদেশের প্রথম বাংলা টিউটোরিয়াল ভিত্তিক অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া "শিক্ষা বাতায়ন"এর প্রতিষ্ঠাতা । তিনি ৩০ তম BCS (General Education) এর একজন কর্মকর্তা। তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে দর্শন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত।

11 months ago | Date : May 22, 2016 | Category : Featured,ভর্তি তথ্য | Comment : 2 Replies |

২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়বেসাইটে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী আগামী ২৬ মে থেকে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ জুন। ১৮ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে। ১০ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে বিলম্ব ফি দিয়ে ভর্তি হতে হবে। ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই। শিক্ষা বাতায়ন

এবার একজন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী পছন্দের পাঁচটির বদলে ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। প্রতিটি কলেজে মেধার ভিত্তিতে তার ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে। প্রথমবারের মতো প্রতিটি কলেজে ভর্তিচ্ছুর মেধা অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করবে কলেজগুলো।

এবারও অনলাইনে এবং টেলিটক সংযোগ থেকে এসএমএসের মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে। অনলাইনে আবেদন করতে হবে www.xiclassadmission.gov.bd এ ঠিকানায়। তবে অনলাইনে কীভাবে আবেদন করা যাবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড নির্দেশনা জারি করবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

যারা ভর্তি হতে পারবেঃ ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের এসএসসি উত্তীর্ণরাও ছাড়াও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালের পরীক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

আবেদন পদ্ধতিঃ অনলাইন ও এসএমএস এ অাবেদন করা যাবে।

আবেদনের সময়সীমাঃ ২৬ মে থেকে শুরু হয়ে ০৯ জুন পর্যন্ত। যারা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে সে সকল শিক্ষার্থীদেরকেও একই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

ভর্তির সময়সীমাঃ বিলম্ব ফি ছাড়া ১৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আর বিলম্ব ফি দিয়ে ১০-২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি চলবে।

আবেদন ফিঃ একজন আবেদনকারী একাধিক প্রতিষ্ঠানের একাধিক গ্রুপে বা একাধিক শিফটে আলাদা ভাবে আবেদন করতে পারবে তবে এক্ষেত্রে প্রতিবারই ফী বাবদ ১২০ টাকা কেটে নেওয়া হবে।

  • ফলাফল প্রকাশঃ আবেদন প্রক্রিয়া শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিতদের তালিকা বা ফলাফল প্রকাশ হবে ১৬ জুন।
  • ক্লাস শুরুর তারিখঃ ১০ জুলাই থেকে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।
  • কলেজ কর্তৃক রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য ফি বোর্ডে জমা দেওয়ার সময়সীমাঃ ৭-১৮ আগস্ট।
  • ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বোর্ডে জমা দেওয়ার সময়সীমাঃ ২২-৩১ আগস্ট।শাখা নির্বাচনঃ বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় এবং ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।

অন-লাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করার পদ্ধতি-
আবেদন পদ্ধতি: আবেদনকারীকে নির্ধারিত website- এ (www.xiclassadmission.gov.bd) গিয়ে নিচের ছবির মত Apply Online -এ Click করতে হবে।

এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে। এরপর কোটা, পছন্দক্রম পূরণ করার পর প্রার্থীরা টেলিটক সিমের মাধ্যমে অনলাইনের আবেদন ফী প্রদান করতে পারবে।

টেলিটক সিম এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদানের পদ্ধতিঃ

অনলাইনে আবেদন এর পর টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান করতে হবে। এর জন্য টেলিটক মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে এভাবে-

CAD<space>WEB<space>Application ID

এরপর 16222 নাম্বারে সেন্ড করতে হবে।
অনলাইনে ভর্তি আবেদনে পছন্দের ১০টি কলেজকে নির্বাচন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

আবেদন ফিঃ অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ১ টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- টাকা চার্জ করবে আবার ১০টি কলেজে আবেদন করলেও ১৫০/- চার্জ করবে। অনলাইনে মাত্র একবারই আবেদন করা যাবে।

এসএমএসে প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে।

এসএমএসে আবেদন : আগের মতো টেলিটক থেকে এসএমএস পাঠিয়েও আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ জন্য প্রতি আবেদনের (প্রতি কলেজের জন্য এক আবেদন) জন্য ১২০ টাকা দিতে হবে। কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সবার জন্যই একই নিয়মে আবেদন করতে হবে।

SMS এর মাধ্যমে যেভাবে ভর্তির আবেদন করবেন-

SMS এর মাধ্যমে আবেদন শুধুমাত্র টেলিটক প্রি-পেইড সংযোগ থেকে করা যাবে। আবেদনের জন্য মোবাইল এর মেসেজ অপশনে গিয়ে এভাবে টাইপ করতে হবে-

CAD <space> ভর্তিচ্ছু কলেজ/মাদরাসার EIIN<space>ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর <space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর<space>এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন <space>ভর্তিচ্ছু শিফটের নাম <space>ভার্সন<space>কোটার নাম

এরপর মেসেজটি send করতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে ।
উদাহরণ: CAD 696954 SC DHA 123456 2016 D B FQ

  • এখানে 696954-ভর্তিচ্ছু কলেজ/সমমান প্রতিষ্ঠানের EIIN
  • SC-ভর্তিচ্ছু গ্রুপের নামের প্রথম দুই অক্ষর (Science= SC)
  • DHA-এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর
  • 123456-আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের রোল নম্বর
  • 2016-এসএসসি/সমমান পরীক্ষা পাসের সন
  • D- শিফটের নামের প্রথম অক্ষর
  • B-ভার্সন এর প্রথম অক্ষর
  • FQ- মুক্তিযোদ্ধা কোটা)।

    * সাধারন বোর্ডঃ

    Science এর জন্য SC

    Humanitie এর জন্য HU

    Business Studies এর জন্য BS

    Home Economics এর জন্য HE

    Islamic Studies এর জন্য ISএবং

    Music এর জন্য MC লিখতে হবে।

    * মাদরাসা বোর্ডঃ

    Science এর জন্য SC

    General এর জন্য GE

    Muzabbid এর জন্য MU লিখতে হবে।

    * কারিগরি শিক্ষা বোর্ডঃ

    [ HSCVOC (Agro Machinary AM Automobile এর জন্য AU

    Building Maintenance and Construction এর জন্য BC

    Clothing and Garments Finishing এর জন্য CG

    Computer Operation and Maintenance এর জন্য CO

    Drafting Civil এর জন্য DC

    Electronic Works and Maintenance এর জন্য EW

    Electronic Control and Communication এর জন্য EC

    Fish Culture and Breeding এর জন্য FC

    Industrial Wood Working এর জন্য IW ]

    [ HSCBM (Accounting এর জন্য HA

    Banking এর জন্য HB

    Computer Operation এর জন্য HC

    Entreprenuership Development এর জন্য HE)

    [ Dip-In-Commerce (Shorthand এর জন্য DS, Accounting এর জন্য DA)] লিখতে হবে।

    শিফটের ক্ষেত্রেঃ
    *Morning এর জন্য M

    Day এর জন্য D

    Evening এর জন্য E এবং

    ভর্তিচ্ছু কলেজের যদি কোন শিফট না থাকে সে ক্ষেত্রে N লিখতে হবে।

    ভার্সনের ক্ষেত্রেঃ

    * বাংলা ভার্সনের ক্ষেত্রে B আর ইংলিশ ভার্সন এর ক্ষেত্রে E লিখতে হবে।

    কোটার ক্ষেত্রেঃ

    * মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য FQ এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়,

    শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধিনস্ত দপ্তরসমুহ, স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সদস্যদের সন্তানদের কোটার জন্য EQ এবং

    সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত বিশেষ কোটার জন্য SQ লিখতে হবে।

    কোন শিক্ষার্থী একাধিক কোটার আবেদন করার যোগ্যতা থাকলে কমা (,) দিয়ে একাধিক কোটা উল্লেখ করতে হবে।

    কোন ধরনের কোটা না থাকলে কোটার জায়গায় কিছু লিখতে হবেনা।

    ফিরতি এসএমএস এ আবেদনকারীর নাম, কলেজ/মাদরাসার EIIN ও নাম, গ্রুপের নাম ও শিফট সহ ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি PIN প্রদান করা হবে।

    আবেদনে সম্মত থাকলে Message অপশনে গিয়ে লিখতে হবে-

    CAD<space>YES<space>PIN<space>CONTACT NUMBER

  • ভর্তি ফিঃ
    • মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকূল্যে ১ হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২ হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি হবে না।
    • ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৫ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিও বর্হিভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিও বর্হিভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।
    • কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফি’র বেশি নেওয়া যাবে না এবং অনুমোদিত সব ফি গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ রশিদ প্রদান করতে হবে।
    • দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উল্লিখিত ফি যতদূর সম্ভব মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    প্রার্থী নির্বাচনে অনুসরণীয় পদ্ধতিঃ

    • প্রার্থী নির্বাচনে কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবেনা। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
    • কোনো স্কুল অ্যান্ড কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে স্ব-স্ব বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করেই অবশিষ্ট শূন্য আসনে ভর্তি করাতে পারবে। তবে সব ভর্তিই অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে।
    • বিভাগীয় এবং জেলা সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৮৯ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অবশিষ্ট আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তান, ৩ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের এলাকার শিক্ষার্থী, ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্ত দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।আর নতুন করে এবার শূন্য ০.৫ শতাংশ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং অপর ০.৫ শতাংশ প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
    • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত/জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে জটিলতা হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় নিতে হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান জিপিএ নিষ্পত্তির জন্য পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত জিপিএ বিবেচনা করা হবে।
    • এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত পয়েন্ট বিবেচনায় আনতে হবে। স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন।কোনো কলেজে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করতে পারবে।
    • কলেজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীর ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না এবং ভর্তি করানো যাবে না। তবে সরকারি/ আদা সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের বদলিজনিত কারণে তাদের সন্তানদের ছাড়পত্র ইস্যু বা ভর্তি করতে পূর্বানুমতি নিতে হবে না।উল্লেখ্য, ভর্তির ক্ষেত্রে নীতিমালার ব্যতয় ঘটলে বেসরকারি কলেজের ক্ষেত্রে পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজের এমপিও বাতিল এবং সরকারি কলেজের ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    • অন্যান্য ফির সঙ্গে বোর্ড থেকে নির্ধারিত আরো ফি:রেজিস্ট্রেশন ফি ১২০, ক্রীড়া ফি ৩০, বোভার/রেঞ্জার ফি ১৫, রেড ক্রিসেন্ট ফি ২০, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭, বিএনসিসি ফি ৫ টাকা হারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে ১০০ টাকার সঙ্গে বিলম্ব ভর্তি ফি ৫০ টাকা প্রদান করতে হবে।কোনো ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুযোগ না পেলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবে। একইভাবে যারা সময় মতো ভর্তি হয়নি তারাও আবেদন করতে পারবে।
    • হেল্পলাইনঃ আবেদন সংক্রান্ত জে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন…

      General Board Madrasa Board Technical Board
      01977733550
      01977733554
      01977733557
      01977733558
      01732487334
      01731582032
      01757291281
      01757291282
      01757291283
       01550620604

tags: ,,,,,,,,,,,

2 Responsesso far.

  1. Tarequl Islam says:

    Please help me Sir.
    আমি বি.বাড়ীয়া সরকারী কলেজে অনলাইনে আবেদন করি।
    কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভুল হয়ে EQ কৌটা দেওয়া হয়েছে।
    এখন আমি ভর্তি হওয়ার জন্য কি করতে পারি।
    উত্তর প্রদান করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।

  2. asheq rahman farib says:

    vh0rti batil kore ak college theke r ek college a jete chai…..kivhabe korbo?

Leave a Reply


↑ Top